ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ , ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে চলছে অর্ধদিবস অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক
১ ঘন্টা আগে
রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে চলছে অর্ধদিবস অবরোধ
সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ, হামলা ও ঘরবাড়ি-দোকানপাট ভাঙচুর হয়েছে। এর প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলায় অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধ চলছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ভোর থেকে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

অবরোধের কারণে খাগড়াছড়ি থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। তবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। ঢাকা থেকে আসা রাতের বাসগুলো পুলিশি পাহারায় খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছে।

অবরোধকারীরা খাগড়াছড়ি শহরের চেঙ্গী ব্রিজ ও স্বনির্ভর এলাকা, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের কৃষি গবেষণা এলাকা এবং চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের গুইমারা জোড়াব্রিজ এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের সাপমারা এলাকায় গাছ কেটে সড়ক অবরোধ করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কায় কিসলু দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ঢাকা থেকে আসা রাতের বাসগুলো পুলিশি পাহারায় খাগড়াছড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িতে ঢুকতে দেরি হওয়ায় কয়েকটি বাস রামগড়ে রয়েছে। সেগুলোকে দুপুর ১২টার পর খাগড়াছড়িতে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শহরের কয়েকটি স্থানে পিকেটাররা টায়ার জ্বালিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ধাওয়া দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অবরোধ চলাকালে সাজেক সড়কে অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। সেখানে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে।

অবরোধ চলাকালে হামলা, লাঠিপেটা এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলায় অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দেয়।

এর আগে বুধবার অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দেয় গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কারবারি অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে বুধবারের মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পর্যটকেরা সাজেক ছাড়তে শুরু করেন। তবে পথে উজোবাজার এলাকায় তারা অবরোধকারীদের বাধার মুখে পড়েন। পর্যটকদের নিরাপদে বের করে নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে। এরপর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


কমেন্ট বক্স